প্রতারণার ডিজিটাল হাতিয়ার বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ

প্রতারণার ডিজিটাল হাতিয়ার বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ

বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ

ভার্চুয়াল মুদ্রা কে বিটকয়েন বলে। BTC যার সাংকেতিক প্রতীক, বিটকয়েন এর ক্ষুদ্র

একক হল মিলিবিটকয়েন বা সাতোশি। ১ বিটকয়েন সমান ১000 মিলি বিটকয়েন। সাতোশি ১ বিটকয়েন সমান ১ কোটি সাতোশি। বিটকয়েন হল একটি অনলাইন নির্ভর ক্রিপ্টোকারেনসি ক্বা ডিজিটাল মুদ্রা যার কোন বাস্তব অস্তিত্ব নেই।

 

কেন বিটকয়েন অবৈধ?

 

:বিটকয়েন বা ভার্চুয়াল কারেন্সি বাংলাদেশে সম্পূর্ণ অবৈধ। শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের অন্য কোনো দেশে স্বীকৃত বা বৈধ মুদ্রা। এই কারেন্সি ট্রেডিং খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক সবাইকে বিটকয়েন ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক

করেছে কারণ বিটকয়েন লেনদেন মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করে।

 

বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ হবে

 

: বাংলাদেশ এ বিটকয়েন মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি না পেলে ও বিটকয়েন জনপ্রিয়তা দ্রুতয় পাচেছ। ‘ ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ ’ সম্মলনের এক সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেছিলেন ‘আগামী

বছরের জুনের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে ‍কমিটি গঠন করা হবে। উক্ত কমিটির কাজ হবে বাংলাদেশে কিভাবে দ্রুত ডিজিটাল মুদ্রা প্রচলন ‍করা যায় তা থতিয়ে দেখা।

 

বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে

 

 : বিটকয়েন কোন ব্যাংক বা পেপাল বা ভিসা এর মত কাজ করে না। বিটকয়েন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিয়ন্তিত নয় । বিশ্বের এই প্রথম মুক্ত পেমেন্ট নেটওয়ার্ক হল বিটকয়েন। বিটকয়েন এ যে কেউ ব্যবহার করতে পারে।

বিটকয়েন তৈরির পেছনে কারন ছিলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে একটি ডিসেন্ট্র্রালাইজড পেমেন্ট ব্যবস্থা করা। ব্লকচেইন   অন্যতম প্রধান উপাদা

ন বিটকয়েন এর। সাতোশি নাকামোতো ২০০৯ সালে বিটকয়েন এর সোর্স কোড ওপেন করে নেটওয়ার্ক সম্পচার শুরু করে এবং সাতোশি নাকামোতোই  প্রথম মাইন ‍করে। আমাদের ব্যাংকিং ‍এ যে নিয়ম তাহলো যদি কেউ টাকা তুলতে আসে তখন চেক ডেভিট করার আগে ব্যক্তির চেহারা আর সই দেখে মিলিয়ে

তারপর টাকা যদি ওই পরিমান বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধথাকে তখন টাকা প্রদান করে থাকে। বিটকয়েন এ যখন প্রেরক কাউকে বিটকয়েন পাঠায় তখন ২৫৬ বিটের একটি ইউনিক কোড পাঠায় যা পাবলিক লেজারটাতে থাকে। ঠিক একই রকম ভাবে প্রাপক এর দিক থেকে ওই একই ২৫৬ বিটের কোড

মিলে গেলে লেনদেন টি সম্পন্ন হয়। এই কোড মিলানোর কাজটি যারা করে তাদের কে বলা হয় বিটকয়েন মাইনারস। আর এই নেটওয়ার্কে থাকা সকল মাইনারস যখন এই লেনদেন টি  সম্পন্ন হয়। বিটকয়েন লেনদেন এর সময় প্রাপক আর প্রেরক এর পরিচয় সম্পূর্ণ 

    1. বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে বাংলাদেশে
  • বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে বিদেশ
  • বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে usa


চাকুরির সুযোগ: ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে রূপায়ণ সিটি উত্তরা

 

 

গোপন থাকে। কে কাকে বিটকয়েন দিচ্ছে তা বোঝার উপায় নেয়।বিটকয়েন এর ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর তাদের লেনদেন টি সম্পূর্ন করতে পারে।

বিটকয়েন আর বাংলাদেশ :

 বাংলাদেশ এ খুব  কম বিটকয়েন এর কেনা বেচার কথা শোনা যায়, কিন্তু বাংলাদেশ এর আইন অনুযায়ী বিটকয়েন কেনাবেচা করা সম্পূর্ণ বেআইনি। ২০১৭ সালে  বাংলাদেশ ব্যাংক বিটকয়েন এর লেনদেন এর ব্যাপার এ সতর্কতা

জারিকরে প্রকাশ করে। বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ বিটকয়েন বা ভার্চুয়াল মুদ্রা কোন দেশে বৈধতা দেয় না তাই বিটকয়েন বা ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার বা বিটকয়েন ব্যবহার

কারিদের কোন তথ্য সংগ্রহ করা বা তথ্য পাওয়া যায় না তাই এতে মানিলর্ডারিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই বিটকয়েন বা ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে বলে

। যদি সঠিক নিয়ম ও নীতিমালার মাধ্যমে বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার নিশ্চিত করা বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ যায় তাহলে এর মাধ্যমে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা সম্ভব।

 

বিটকয়েনে এর আবিষ্কার ও বাংলাদেশ এর সমস্যা : বিটকয়েন ২০০৯ সালে প্রথম আবিষ্কার হয়। সাতোশি নাকোমোতো বিটকয়েন আবিষ্কার করেন। তবে বিটকয়েন তিনি আবিষ্কার করেছেন না তার পুরা টিম করেছেন এটা নিয়ে

ধোঁয়াশা আছে।বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রা জনপ্রিয় হয়েছে তার অন্যতম কারন হল এখানে সম্পূর্ণ গোপন রেখে লেনদেন করা যায়। ২ কোটি ১০ লাখ বিটকয়েন এর লিমিটেশন করা আছে এর বেশি বিটকয়েন তৈরি হবে না।অল্প বিটকয়েন দেখে ধারনা করে যে বিটকয়েন খুব তারাতারি শেষ হয়ে যাবে।

আসলে বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধবিষয় টা এরকম না। ভগ্নাংশে

ও বিটকয়েন কেনা যায়। ১ সাতোশি সমান ১ বিটকয়েন এর ১০ কোটি ভাগের ১ ভাগ। বিটকয়েন একাউন্ট হারিয়ে গেলে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না।আবার লেনদেন করার সময় কোন সমস্যা হলে তা ফিরে পাওয়া যায় না। বিটকয়েন এর মাধ্যমে কোনটা বৈধ লেনদেন আর কোনটা অবৈধ লেনদেন এটা দেখার সুযো

গ নেয়। বিটকয়েন এর মাধ্যমে অনেক রকম অবৈধ লেনদেন করা হয় যা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে করা যায় না। যার কারনে সবিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধরকারি ভাবে বিটকয়েন এর পর্যবেক্ষন করা সম্ভব হয়ে ও

ঠে না। যা বাংলাদেশের সিকিউরিটির জন্য একটা বড় ধরনের  হুমকি। এই কারনে শুধু বাংলাদেশ না বিশ্বের অনেক দেশ এ বিটকয়েন এর বৈধতা দেয় নায়। তবে এখন অনেক দেশ যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট,যুক্তরাজ্য ও ইউনরোপিয়ান

অধীনস্থ দেশ গুলা বিটকয়েন এর বৈধতা দিচ্ছে। যার ফলে বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রা দিনেদিনে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এমন কি টেসলার মত জায়ান্ট কোম্পানি এখন বিটকয়েন বা ডিজিটাল মুদ্রার মাধ্যমে তাদের পন্য বেচ্ছে।

 

Sun Moon

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *